খুলনা জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২২ ডাউনলোড

খুলনা বিভাগ ও জেলার ইফতারের সময়সূচি ২০২৩

খুলনা জেলার  সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি যারা নিতে চান। আমাদের ওয়েবসাইট থেকে, খুব সহজে ডাউনলোড করে নিতে পরবেন। আল্লাহ বলেন, মানুষের প্রতিটি আমল বা কাজ হচ্ছে তার নিজের জন্যে। আর রোজা হচ্ছে কেবল আমার জন্যে। (আমার জন্যেই সে খাবার ও পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকে এবং যৌন কামনা-বাসনাকে সংযত করে।) তাই রোজার পুরস্কার আমিই তাকে দেবো।

খুলনা জেলা রমজানের সময়সূচী ২০২৩, খুলনা জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী ২০২৩, খুলনা জেলার রমজানের ক্যালেন্ডার ২০২৩, আজকের খুলনা জেলার সেহরির শেষ সময় ২০২৩, আজকের খুলনা জেলার ইফতারের শেষ সময় ২০২৩

রোজা হচ্ছে (পাপাচার ও জাহান্নামের আগুনের বিরুদ্ধে) বর্ম। অতএব তোমরা যখনই রোজা রাখো, তখন ফালতু আজেবাজে অপ্রয়োজনীয় কথা বলবে না, চেঁচামেচি করবে না। কেউ গালি দিলে বা ঝগড়া করতে এলে বলবে, আমি রোজাদার। রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির (বিশেষ সুগন্ধি) গন্ধের চেয়েও পছন্দনীয়। রোজাদার দুটি আনন্দ লাভ করে। প্রথমত, ইফতারের সময়। দ্বিতীয় আনন্দ লাভ করবে—যখন সে তার প্রতিপালকের সাথে মিলিত হবে।

Click here to Download Ramadan Calendar

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

মানুষের প্রত্যেকটি সৎকর্মের নেকি আল্লাহ গুণিতক করেন। ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি দান করেন। আর রোজার নেকি আল্লাহ নিজে দেবেন, কোনো সীমা ছাড়া, তাঁর ইচ্ছানুসারে। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আত্মশুদ্ধির নিয়তে যে রমজান মাসে রোজা রাখে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়।Khulna 1

অসুস্থতা বা যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কেউ রমজান মাসের একটি রোজাও ত্যাগ কোরো না। এই একটি রোজার পরিবর্তে সারাজীবন ধরে রোজা রাখলেও—যা তুমি হারিয়েছ তা কখনো পূরণ হবে না। যদি তুমি রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে হঠাৎ করে কিছু খেয়ে ফেলো বা পান করো, তবে তুমি অবশ্যই রোজা পুরো করবে। (ভুলবশত খেয়ে ফেলায় তোমার রোজা ভেঙে যাবে না) আসলে আল্লাহই তোমাকে খাইয়েছেন। রোজাদার যদি মিথ্যাচার ও অশোভন কাজ পরিহার না করে, তবে তার পানাহার বর্জন আল্লাহর কাছে কোনো গুরুত্ব বহন করে না।

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ‘হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) সমগ্র মানবকুলের মধ্যে সর্বাধিক উদার ও দানশীল ছিলেন। রমজান মাসে যখন হজরত জিবরাইল (আ.) নিয়মিত আসতে শুরু করতেন, তখন হজরত রাসূলুল্লাহর (সা.) দানশীলতা বহুগুণ বেড়ে যেত।’

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) তার উম্মতদের বাস্তব শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে রমজান মাসে দান-দক্ষিণা ও বদান্যতার হাত বেশি করে প্রসারিত করতেন। রমজান মাসে নবী করিমের (সা.) দানশীলতা অন্যান্য মাসের তুলনায় বৃদ্ধি পেত। এ পবিত্র মাসটিকে তিনি দানশীলতার ব্যাপারে বিশেষ প্রশিক্ষণের মাস হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি মাহে রমজানে অন্যান্য সময় অপেক্ষা অধিক দয়ালু ও সহানুভূতিশীল হতেন। প্রত্যেক সাহায্যপ্রার্থী দরিদ্রকেই তিনি দান করতেন। এ সময় কোনো প্রার্থী তার কাছ থেকে বঞ্চিত হতো না। কোনো কয়েদিও এ সময়ে বন্দি থাকত না।

রোজাদার ব্যক্তিকে ইবাদতে মগ্ন থেকে সহানুভূতি, সদয় আচরণ, দানশীলতা ও বদান্যতা প্রদর্শনের মাধ্যমে ইহকালীন কল্যাণ ও পারলৌকিক মুক্তির পথ প্রশস্ত করার জন্য বিশেষভাবে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ইসলাম যেমন দানশীলতাকে উৎসাহিত করেছে, তেমনি পরনির্ভরশীল হওয়াকে নিরুৎসাহিত করেছে।

খুলনা জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৩ আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি চাহিলে নিতে পারেন।