দুবাই ইফতারের সময়সূচি

দুবাই ইফতারের সময়সূচি ২০২৩

দুবাইয়ে বসবাস করছেন এমন সকল মুসলমান ভাইদের জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে ইফতারের সময়সূচি ২০২৩ প্রদান করা হলো এবং এই সময়সূচী আপনারা জেনে নিলে বুঝতে পারবেন প্রথম রমজান থেকে শুরু করে শেষ রমজান পর্যন্ত সময়সূচির ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন ও পার্থক্য রয়েছে। কারণ পৃথিবীর আহ্নিক গতি এবং সূর্যের অবস্থানের কারণে প্রত্যেকদিন সূর্যাস্ত একই সময়ে হয়ে থাকে না বলে এই সময়ের পার্থক্য হয় এবং নির্দিষ্ট সময় যদি আমরা মেনে চলতে পারি

তাহলে মাগরিবের আজান সোনার সাথে সাথে ইফতারের অংশগ্রহণ করতে পারি। তাই আপনাদের সুবিধার্থে আজকের এই পোস্টে আমরা দুবাই বা সংযুক্ত আরব আমিরাতে যারা বসবাস করছেন তাদের জন্য ইফতারের সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হলো এবং প্রত্যেকদিন আপনি যে কাজের সঙ্গে নিয়োজিত আছেন সেই কাছ থেকে অব্যাহতি নিয়ে ইফতারের সুন্দরভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন বলে মনে করে থাকি।

যেহেতু মাহে রমজান মাসের ইবাদত করতে হবে এবং আপনি যদি সুস্থ শরীরে থাকেন এবং নিজের চাই এই ইবাদত ছেড়ে দেন তাহলে এটা আপনার জন্য অনেকটাই ক্ষতি করে এবং লসের বিষয় হিসেবে দাঁড়াই। কারণ এই মাহে রমজান মাস আপনি হয়তো ২০২৩ সালে সুস্থ শরীরে পাচ্ছেন এবং পরবর্তী বছরে নাও পেতে পারেন এবং মাহে রমজান মাসের গুরুত্ব যদি একটু হলে উপলব্ধি করতে পারেন তাহলে এটা যে কতটা ফজিলত পূর্ণ মাস তা আপনারা খুব সুন্দর ভাবে বুঝতে পারবেন। তাই কর্মজীবী মানুষের সর্বোচ্চ চেষ্টা হবে যেন রোজা না ছেড়ে দেওয়া এবং অন্যান্য ইবাদতে যেন সঠিক সময়ের মতো অংশগ্রহণ করা।Dubai 1

আর সেই জন্য আমরা দেশ ভিত্তিক অথবা জেলা ভিত্তিক বিভিন্ন জায়গার সূর্যদয় এবং সূর্যাস্তের উপর নির্ভর করে সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি উপস্থাপন করছে বলে আপনারা সেগুলো জানতে পারছেন। এই পোষ্টের মাধ্যমে দুবাইয়ের ইফতারের সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে আসরের পর থেকে আপনারা যারা বড় পর্যায়ে এটা করে থাকবেন তারা অবশ্যই যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করবেন। প্রত্যেকটি মুসলমানের দায়িত্ব হবে মাহে রমজান মাসে ইবাদত করার ক্ষেত্রে নিজেকে সঁপে দেওয়া এবং মহান আল্লাহ পাক যদি আপনার এই বিষয়গুলো বুঝতে পারেন এবং আপনার ভেতরে আল্লাহপাকের প্রতি যে ভালোবাসা রয়েছে সেটা যদি আপনি বোঝাতে পারেন তাহলে অবশ্যই তিনি আপনাকে এই দুনিয়ার জীবনে যেমন সম্পদশালী করবেন তেমনি ভাবে আখেরাতের জীবনেও তিনি আপনাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান প্রদান করবেন।

যারা সময় বাস্তবিক দিকের কথা ভাবেন অথবা দুনিয়া জীবনের কথা ভাবেন তাদের উদ্দেশ্যে বলবো যে এই মাস এমন একটা মাস যেটার মাধ্যমে আপনি শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা অর্জন করতে পারবেন। যাদের অতিরিক্ত ওজন রয়েছে তারা ওজনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন এবং শরীরের ভেতরের ক্ষতিকর পদার্থ রোজা রাখার মধ্য দিয়ে আপনি বের করে ফেলতে পারবেন। মানসিকভাবে বিক্ষিপ্ততা রয়েছেন এমন সকল ব্যক্তিরাও নিজেদেরকে স্থির করতে পারবেন এবং যে কোন কাজের ক্ষেত্রে নিজের যখন মননিবেশ চলে আসবে তখন আপনি সেই কাজে ভালো করতে পারবেন অথবা সফলতা অর্জন করতে পারবেন। তাই সকল দিক বিবেচনা করে মাহে রমজান মাসের এই ইবাদত গুলো করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন।