৬ষ্ঠ শ্রেণী এসাইনমেন্টএসাইনমেন্ট

ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ প্রশ্নের সমাধান (ডাউনলোড ক্লাস ৬ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট এর উত্তর)

বৈশ্বিক মহামারীর কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার গতি মন্থর হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি স্কুলে অ্যাসাইনমেন্ট এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সম্মিলিতভাবে পরীক্ষার পরিবর্তে অ্যাসাইনমেন্ট এখন নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বিভিন্ন বিষয়ের বিষয়ভিত্তিক অ্যাসাইনমেন্ট এর জন্য শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে।

সেই ঝামেলা উত্তরণের জন্য আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করব এবং তার জন্য আমাদের সাথে থাকুন। ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া হলো।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি হল এমন একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে পৃথিবী দূরত্ব কমে এসেছে। এক মাথা থেকে আরেক মাথা দূরত্ব অনেক দূরে হলেও তা খুবই সংকীর্ণ হয়ে এসেছে। খুব সহজেই আমরা যোগাযোগের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারি এবং আমাদের দূরত্বকে লাঘব করছি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রথম অধ্যায় তথ্য-উপাত্তের ভেতরে সম্যক পার্থক্য রয়েছে তা আমাদের বুঝতে হবে। তথ্য হলো কোন জিনিসকে সুন্দরভাবে সাজানো এবং তালিকাভুক্ত করা।

আর উপাত্ত হলো কোন বিষয়কে এনে কোন একটা জায়গায় খাড়া করা যাবে কিন্তু কোন তালিকাভুক্ত করা যায় না। অর্থাৎ একটি এলোমেলো অবস্থা। আমাদের বাস্তব জীবনে বিভিন্ন জায়গায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগে আছে।

আমরা পড়াশোনা থেকে শুরু করে চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং বিনোদনের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে থাকি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব একবিংশ শতাব্দীতে খুবই বেশি। তথ্যপ্রযুক্তিতে যে জিনিসটির ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয় সে জিনিসটি হলো কম্পিউটার।

কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতিগুলোর মধ্যে আমরা যেগুলোকে গণ্য করতে পারে সেগুলো হলো সুপারকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট পিসি, স্মার্ট ফোন। একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ রয়েছে।

সেই অংশগুলোকে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। ইনপুট ডিভাইস এবং আউটপুট ডিভাইস। এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ওয়েবক্যাম, ডিজিটাল ক্যামেরা, ভিডিও, ক্যামেরা, জয়স্টিক, বারকোড রিডার, স্মার্টফোন ইত্যাদি।

কম্পিউটারের ভিতরে বিভিন্ন তথ্য এবং বিভিন্ন জিনিস মেমোরি ডিভাইসে সংরক্ষণ করতে পারি। এটি এমন একটি ডিভাইস যেখানে লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। এছাড়াও মাদারবোর্ড একটি বড় ধরনের অংশ যেখানে অনেকগুলো তার দল হিসেবে দেখানো হচ্ছে মাদারবোর্ড।

আর কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে রয়েছে মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, স্ক্রীন ইত্যাদি। কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয় সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার। যেগুলো আমরা স্পর্শ করতে পারি না কিন্তু কম্পিউটারে বিভিন্ন কাজে লাগাতে পারি সেগুলো হচ্ছে সফটওয়্যার।

সফটওয়্যার এর মধ্যে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার রয়েছে এবং গেমস এর সফটওয়্যার রয়েছে। হার্ডওয়ারগুলো যেগুলো হাত দিয়ে ধরা যায়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে স্যাটেলাইট, অপটিক্যাল ফাইবার বিভিন্ন কিছুর অবদান অনস্বীকার্য।

তাই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে এবং এর নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে আমাদের অবগত থাকতে হবে যাতে আমরা আমাদের জীবনে তা কাজে লাগাতে পারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button