Assignment

ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সঠিক সমাধান ২০২০ ডাউনলোড

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এর কারণে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন বন্ধ। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষা বোর্ড প্রত্যেকটি স্কুলে সপ্তাহে সপ্তাহে বিভিন্ন বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণ করছে। এতে সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের ওয়েবসাইটের নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করছে। আপনারা তা বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারেন আমাদের ওয়েবসাইট থেকে।

ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট

নিচে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের জন্ম হয়। বর্তমান বাংলাদেশে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এদেশ পশ্চিম পাকিস্তানের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের শোষণ ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছিল। ধীরে ধীরে তা ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬ এর ৬ দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং ১৯৭০ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে তার পরিসমাপ্তি ঘটে।

5th Week Assignment Answer Download (Clear Image)

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু সরকার গঠন এর পরিবর্তে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের পহেলা মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেন। প্রতিবাদে ওই দিনই দেশব্যাপী অসহযোগ আন্দোলনের আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চের ভাষণ ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ।

৭মার্চ বিকাল ৩ টা ২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দান বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান উপস্থিত হন। বঙ্গবন্ধুর পরবর্তী করণীয় স্বাধীনতা লাভের দিক নির্দেশনা ছিল!”প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে।” তিনি আরো বলেন “রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো, ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।

৭মার্চের ভাষণ এর বিষয়বস্তু ছিল সামরিক আইন প্রত্যাহার,সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া, তদন্ত করা, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। তিনি দশ লক্ষ দর্শকের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ শব্দ ব্যবহার করে ভবিষ্যৎ দেশের নতুন নামকরণ করেন। পাকিস্তানি সেনারা হাজার ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যা মূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল অপারেশন সার্চলাইট।

হানাদাররা ২৫মার্চ এ অভিযান পরিচালনা করলেও মূলত মার্চের প্রথম থেকে তার পরিকল্পনা করে। আর তা ২৫ মার্চ রাতে তার বাস্তবায়ন ঘটায়। ২০১৭সালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশেষ দিনটিকে গণহত্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্বাধীনতার ঘোষণার পর ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগরে একটি সরকার গঠন করা হয়।

১৭ তারিখে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। নতুন গঠিত সরকারের মাধ্যমে দেশের যুদ্ধ ব্যবস্থা চালু করা হয় এবং দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের মাধ্যমে এবং বিভিন্ন কলাকৌশল এর মাধ্যমে যুদ্ধ করার জন্য এদেশ পশ্চিম পাকিস্তানের হাত থেকে স্বাধীন হয় এবং হাজার ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অর্থাৎ বিজিএস ছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের অ্যাসাইনমেন্ট আমাদের ওয়েবসাইটে আপনারা পাবেন। এসাইনমেন্ট এর জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন সবসময়।

চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান

তোমার পরিবারের সদস্যদের কোন কোন কাজ টেকসই উন্নয়নের অন্তরায় তা চিহ্নিত করে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করো।

ভুমিকাঃ একটি নীতি বাক্য রয়েছে ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবাই জ্ঞানীর কাজ। পৃথিবী নামক গ্রহে আমরা বসবাস করছি ।পৃথিবীতে জীবনধারণের জন্য আমরা নানা উপকরণ যেমন, অক্সিজে্‌ খাদ্যজালের, পান্‌ মাটি ,আশ্রয়স্থল ব্যবহার করছি,। শুধু তাই নয় আমরা গাছের ছায়া ও মনোরম আবহাওয়া আমরা উপভোগ করি। টেকসই উন্নয়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারব। তাই মানব জীবনের টেকসই উন্নয়নের গুরুত্ব অপরিসীম।

টেকসই উন্নয়ন কিঃ টেকসই উন্নয়ন এর ইংরেজী প্রতিশব্দ হলো Sustainable Development Goals । টেকসই উন্নয়ন এমন একটি উন্নয়ন প্রক্রিয়া যা ভবিষ্যতের কথা ভেবে করা হয়। ফলে প্রকৃতিতে ঠিক রেখে উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পাদন করা হয় ।যেমন, একদিকে মানুষের বর্তমান চাহিদা মেটাতে সক্ষম অন্যদিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে ঘাটতি কারণ হয়ে দাঁড়াবে না। যেমন ফসলি জমির জন্য ক্ষতিকর কোন কীটনাশক ব্যবহার না করে উৎপাদন বাড়ানো পরিবেশ বান্ধব কৃষি কার্যক্রম ও বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রাকৃতিক সম্পদ অক্ষুন্ন রাখতে সাহায্য করে। মানুষের নিরাপত্তা বিধান সম্ভব হয় আমরা টেকসই উন্নয়নের এমন দিতে পারি।

টেকসই উন্নয়নের অন্তরায় আচরণসমূহঃ

  1. সর্বত্র সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান।
  2. ক্ষুধার অবসান খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জন ও টেকসই কৃষি প্রসার।
  3. সকল বয়সী সকল মানুষের জন্য সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত করন
  4. সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতার ভিত্তিতে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং জীবনব্যাপী শিক্ষা লাভের সুযোগ সৃষ্টি।
  5. জেন্ডার সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন।
  6. সকলের জন্য পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন এর টেকসই ব্যবস্থাপনা ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করন .
  7. সকলের জন্য পূর্ণাঙ্গ সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্যshahriar1.com ও টেকসই আধুনিক জার্মানির সহজলভ্য করা।
  8. সকলের জন্য পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান এবং শোভন কর্মসূচি সৃষ্টি এবং স্থিতিশীল অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন।
  9. অভিঘাত সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই শিল্পায়নের প্রবর্তন এবং উদ্ভাবনের প্রসার
  10. অন্তও আন্তঃদেশীয় অসমতা কমিয়ে আনা।
  11. অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ অভিঘাত সহনশীল এবং টেকসই নগর ও জনশক্তি গড়ে তোলা।
  12. পরিমিত ভোগ ও টেকসইshahriar1.com উৎপাদন নিশ্চিত করন .
  13. জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি কর্ম ব্যবস্থা গ্রহণ।
  14. টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর মহাসাগর ও সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
  15. স্থলজ বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ও সুরক্ষা shahriar1.comপ্রদান এবং টেকসই ব্যবহারের পৃষ্ঠপোষক টেকসই বন ব্যবস্থাপনা মরুকরণ প্রক্রিয়া ভূমি ও ভূমি সৃষ্টি প্রক্রিয়ার পুনরুজ্জীবন এবং জীব বৈচিত্র্য
  16. টেকসই উন্নয়নের জন্য শান্তিপূর্ণ অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ব্যবস্থার প্রচলন সকলের জন্য ন্যায় বিচার প্রাপ্তির পথ সুগম করা।

পরিবারের সদস্যদের আচরণঃ

ব্যক্তিগত মতামত-

উপসংহার

বাকি অংশগুলো পরবর্তীতে এখানে এড করা হবে। সুতরাং কিছুক্ষণ পর আবার আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

Back to top button
Close